, | |

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে উড়ে গেলো মোসাদের সদরদপ্তর


ইসরায়েলের হাইফা শহরে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনায় ধোঁয়া ও আগুন দেখা যায়।
প্রকাশের সময় :১৭ জুন, ২০২৫ ৫:০৮ : অপরাহ্ণ

ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দাকেন্দ্র ও মোসাদের অপারেশন পরিকল্পনাকেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি বলেছে, হামলায় সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

আজ মঙ্গলবার ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

ইরানের রেভ্যলুউশনারি গার্ডকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে আক্রান্ত মোসাদ।

এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের শহর হার্জলিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। উপকূলীয় শহরটিতে অবস্থিত একটি ‘স্পর্শকাতর’ স্থান নিশানা করা এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

‘স্পর্শকাতর’ স্থান বলতে সাধারণত কোনো সামরিক বা কৌশলগত স্থানের ইঙ্গিত দেয়।

ইসরায়েলের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে। এর দেড় বছর আগে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল। মূলত বাইরের হুমকি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এই সংস্থাটি গঠন করা হয়েছিল।

আল জাজিরার টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স ফাইটাররা একটি কার্যকর অভিযানে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা কেন্দ্রে আঘাত করেছে।

মোসাদ কার্যালয়ে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের দিক থেকে এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি।

এদিকে তেহরানে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একটি ড্রোন তৈরির কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান।

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন দিনগত রাত হঠাৎ ইরানে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামের এই অভিযানে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র ও আবাসিক স্থাপনায় হামলা চালায় ইহুদিবাদী সেনারা।

সেই থেকে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত উভয় দেশের অনেকে নিহত ও আহত হলেও এই সহিংস পরিস্থিতি থামাতে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন: ইরানের পক্ষ নিয়েছে ২১ মুসলিম দেশ

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর