, | |

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

ইরানকে ঘিরে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র, ১০ হাজার সেনা ও রণতরি মোতায়েন


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩৫ : পূর্বাহ্ণ

ইরানের চারপাশ আবার ঘিরে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। দৃশ্যত নতুন করে সেনা, যুদ্ধবিমান বা যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে রণপ্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব মোতায়েনের মাধ্যমে তিনি ইরানে নতুন করে ভয়াবহ হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন কিনা তা-ও স্পষ্ট নয়।

এমনও হতে পারে, ইরানের সঙ্গে চুক্তির দরকষাকষিতে দেশটিকে মানসিক চাপে রাখতে তিনি এ প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ অবশ্য বলেছেন, তারা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন। কিন্তু বিশ্লেষকদের দাবি, নভেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। সেই নির্বাচনে নিজের পতনশীল ইমেজ কিছুটা হলেও পুনরুদ্ধারের চেষ্টা হিসেবে ট্রাম্প এমন প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান দিয়েগোর ঘাঁটি ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। এর এক দিন পর মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও (এমইইউ) রওনা হয়েছে। এতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর অন্যান্য ইউনিটে আরও ৯ থেকে ১০ হাজার মার্কিন সেনা যুক্ত হতে পারেন। এর মধ্যে বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে থাকা নাবিক ও মেরিন সেনারাও রয়েছেন।

এভাবে বিপুল সামরিক শক্তি এক জায়গায় জড়ো হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তে আরও বেশি বিকল্প থাকবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের কাছাকাছি তিনটি বিমানবাহী রণতরি ও দুটি উভচর অবতরণকারী দল অবস্থান করবে।

ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার এক প্রতিবেদক জানান, নতুন এই মোতায়েনে এফ–৩৫ যুদ্ধবিমানও রয়েছে। ফলে এ অঞ্চলে আগে থেকে অবস্থান করা প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে আরও সেনা যুক্ত হবেন।

পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের সূত্রের বরাতে নুরি বলেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ যে পথেই এগোক না কেন, ট্রাম্পের জন্য সামরিক পদক্ষেপের সুযোগ ‘টেবিলে’ রাখতেই এই যুদ্ধজাহাজ ও সেনা মোতায়েন। ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলেও বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য থেকে কোনো সামরিক সরঞ্জাম বা বাহিনী প্রত্যাহারের পরিকল্পনা পেন্টাগনের নেই।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ট্রাম্পের নতুন করে হামলার নির্দেশ বাস্তবায়নে মার্কিন বাহিনী ‘প্রস্তুত’ রয়েছে।

আরও পড়ুন: মোজতবা খামেনির বেঁচে ফেরার নেপথ্যে ছিল যে ভয়াবহ ঘটনা

Rajniti Sangbad


আরও খবর