, | |

মূলপাতা দেশজুড়ে

হাসিনার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ায় সাকিবের বাড়িতে আগুন, ভাঙচুর


মাগুরা শহরের কেশবমোড় এলাকায় সাকিব আল হাসানের বাড়িতে ভাঙচুর এবং পেট্রোল দিয়ে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক প্রকাশের সময় :৫ আগস্ট, ২০২৬ ১১:০৪ : অপরাহ্ণ

দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ায় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বাড়িতে ভাঙচুর এবং পেট্রোল দিয়ে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

আজ বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে মাগুরা শহরের কেশবমোড় এলাকায় সাকিবের পৈতৃক বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন দুর্বৃত্ত সাকিবের বাড়িতে ঢুকে প্রথমে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। এরপর তারা বাড়ির দক্ষিণ পাশের লোহার গেটের ওপরের অংশ লক্ষ্য করে দুটি পেট্রলবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে বাড়ির কাচের জানালা ভেঙে যায়। এরপর দুর্বৃত্তরা সেখানে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় গেটে সামান্য আগুন জ্বললেও তা দ্রুত নিভে যায়।

মাগুরা সদর থানার ওসি আব্দুল আল মামুন জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল মিটিংয়ে সাকিব আল হাসান যুক্ত হওয়ায় রাত সাড়ে নয়টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি মোটরসাইকেলযোগে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর করেছে। এ সময় পেট্রোল দিয়ে তারা বাড়ির স্টিল গেটে আগুন লাগিয়ে চলে যায় তারা। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আজ সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লিতে ফোরেন প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চুয়ালি অংশ নেন সাকিব।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এমপি নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার আদাবরে রুবেল নামের এক পোশাককর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় সাকিবের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রয়েছে। এই মামলার কারণে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না।

শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ঠকানো এবং অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে।

এছাড়া সাকিবের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলাও রয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, সাকিবের মালিকানাধীন ‘এগ্রো ফার্ম’ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আইএফআইসি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিল। পরবর্তীতে ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকার দুটি চেক দেওয়া হলে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় সেগুলো ডিশঅনার (ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত) হয়।

আরও পড়ুন: এতো গুম-খুন করেও আ.লীগের কোনো অনুশোচনা নেই: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর