জ্বালানি তেলের সংকট নেই এমন কথা জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, তেলের অভাবে ঈদে কি কোনো গাড়ি বন্ধ ছিল? ঈদের সময় লাখো মানুষ বাড়ি গেছেন। কোনো অসুবিধা হয়নি। তাহলে বোঝা যায়, প্রকৃত সংকট নেই, বরং মানুষের আচরণই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে ঈদুল ফিতরের পর নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনতে শুরু করায় পাম্পগুলোতে সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমরা বারবার বলছি তেল আছে, সবাই তেল পাবেন। কিন্তু অতিরিক্ত কেনাকাটার কারণে পাম্পে আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।’
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ‘অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করলেই সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। কিন্তু তেলের ডিমান্ড এতোই বেড়ে গেছে যে, যারা নাকি সারাদিনে যে তেল বিক্রি করতো সেই তেল তিন ঘণ্টায় এসে শেষ করে ফেলছে। তো ন্যাচারালি তেল শেষ হয়ে যাবে তো।’
মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। আপনি বলেছেন যে আসলে তেলের সংকট নাই, তাহলে মানুষ তেল পাচ্ছে না কেন-এ প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘সমস্যাটা হচ্ছিল যে সকালবেলা আগে যেমন ট্যাংক-লরি ওরা ভরতো, সারাদিন বিক্রি করেও তেল উদ্বৃত্ত থাকতো। কিন্তু ওরা এ রকম লাইন দিয়ে বিক্রি করার পরে উদ্বৃত্ত থাকে না। আর আমাদের ডিপোগুলো থেকে তেল ট্রাক দিয়ে ভরতে টাইম লাগে, এজন্য সকালবেলা আর্লি মর্নিংয়ে তেল থাকে না, পরে তো থাকে।’
সরকার আবার রেশনিংয়ে যাবে কিনা জানতে চাইলে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ‘এখন এটা বলা আমার পক্ষে সম্ভব না।’
দাম বাড়ানোর বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা তো বলছি, এখনো তো বাড়াইনি। দাম বাড়ানোর বিষয়টা তো মন্ত্রণালয় দেখে না, সেপারেট এনার্জি রেগুলেটারি কমিশন।’
আরও পড়ুন: এক-এগারোর আলোচিত সাবেক জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার
