জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করার পরপরই বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্যরা হট্টগোল করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি তার ভাষণ শুরু করলে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি চলবে না’ লেখা লাল রঙের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি তার নির্ধারিত ভাষণ দিতে ডায়াসের দিকে এগোচ্ছিলেন। ঠিক তখনই বিরোধীদলের সদস্যরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে প্রতিবাদ জানান।
প্ল্যাকার্ডে ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি চলবে না’, ‘জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বন্ধ কর’সহ বিভিন্ন স্লোগান লেখা রয়েছে। স্পিকার এ সময় সবাইকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি এর মধ্যে দিয়েই সংসদের অধিবেশনে ঢোকেন। তিনি স্পিকারের পাশে বসলে সংসদে হইচই করতে থাকেন বিরোধীদল জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা। এর মধ্যেই বক্তব্য শুরু করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার বক্তব্য চলাকালে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়াতে দেখা যায়।
তখন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধীদলের সদস্যরা সবাই ওয়াক আউট করে সংসদ অধিবেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এ সময় স্পিকার তাদেরকে বার বার বসার অনুরোধ জানালেও তারা রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন করেন।
এর আগে সকালে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এরপর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর ৩০ মিনিটের জন্য বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির পর নতুন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে দুপুর ১টার সময় আবার অধিবেশন শুরু হয়।
অধিবেশন শুরু করে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাকে স্পিকার নির্বাচিত করায় সংসদের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর শোক প্রস্তাব ও বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কালেমা তাইয়্যিবা ক্যালিগ্রাফি স্থাপন
