নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঢাকার কড়াইল বস্তি এলাকায় জনগণের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি অপেক্ষমাণ দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা।
মঞ্চে ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।
এর আগে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাইলট পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় যোগ্য উপকারভোগীরা পাইলটিং পর্যায়ে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতাপ্রাপ্ত হবেন এবং পরে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এই ভাতা প্রদান করা হবে। ফলে তারা ঘরে বসেই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পাইলট পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, আবাসন এবং জীবনযাত্রার মান যাচাই করে একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে। কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা স্বজনপ্রীতি ঠেকাতে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ (পিএমটি) সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দারিদ্র্যের সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে।
যাচাই-বাছাই শেষে ডাবল ডিপিং (একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশন সুবিধা পাওয়া পরিবারগুলো বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই সহায়তার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
