জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদার এই পুরস্কারের তালিকায় জায়গায় করে নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান রাখায় স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। মরণোত্তর এই স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া।
চলতি বছরে স্বাধীনতা পুরস্কার পেতে যাওয়া অপর ১৪ ব্যক্তি হচ্ছেন-মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর); বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম; সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর); সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর); ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা/জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর); গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
এছাড়াও যে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে সেগুলো হলো-মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে অবদান রাখায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা/জনসেবায় এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সমাজসেবা/জনসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
উল্লেখ্য-স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
আরও পড়ুন: এবার ঈদের ছুটি ৭ দিন
