ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে পাল্টা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। আজ শনিবার সকালে তেহরানসহ একাধিক শহরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে হামলা শুরু করে। এরপরেই ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান।
শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন স্থাপনা ও সামরিক বাহিনী লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে তেহরান। কাতার, কুয়েত, বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, তাদের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান শক্ত প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাল্টা হামলাগুলো হবে ‘ক্রাশিং’ বা ‘চূর্ণবিচুর্ণকর’ এবং কঠোর। এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সব স্বার্থ এখন ইরানের হামলার বৈধ লক্ষ্যে পরিণত হবে।
ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের দিকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। এনিয়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে সাইরেন বাজিয়েছে দেশটি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, অল্প কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে। সাধারণ জনগণকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হুমকি প্রতিহত ও প্রয়োজন হলে আঘাত হানার মাধ্যমে হুমকি নিষ্ক্রিয় করার জন্য কাজ করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি নির্ভুল বা অপ্রবেশযোগ্য নয়, তাই জনগণের জন্য হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ মানুষকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অব্যাহতভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।
আরও পড়ুন: ইরানে যৌথ হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
