ইরানে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। আজ শনিবার এই যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নানা ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত প্রেসিডেন্টের বাসভবন লক্ষ্য করে যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটির রাজধানীতে নেই। তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইরানের একজন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে তেহরানে দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেরমানশাহ, লোরেস্তান, তাবরিজ, ইসফাহান এবং কারাজ শহরেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানে হামলার পর ইসরায়েলজুড়ে বিশেষ এবং স্থায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ইসরায়েল। ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে, এটি একটি প্রাকৃতিক সতর্কতা যেন জনগণ প্রস্তুত থাকে এবং ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার সম্ভাবনা থাকলে তারা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার উদ্দেশ্য হলো ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি দূর করা।
তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানে বড় ধরনের যুদ্ধ অভিযান শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইরানি শাসনের হুমকি দূর করে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা।’
অপরদিকে, তবে ইরান এখনো হামলা চালায়নি। তবে একজন ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইরান হামলার পর প্রতিশোধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, এবং প্রতিক্রিয়া হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের।
ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আমরা তোমাদের সতর্ক করেছিলাম! এখন তোমরা এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছো যার শেষ আর তোমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’
আরও পড়ুন: ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ২ হাজার মানুষ নিহত, জানালো কর্তৃপক্ষ
