রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক
প্রকাশের সময় : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া। আজ রোববার তিনটি দেশ পর্যায়ক্রমে এ ঘোষণা দেয়।
এরমধ্যে প্রথম ঘোষণা আসে কানাডার পক্ষ থেকে। এরপর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও সর্বশেষে যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনিকে স্বীকৃতি দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাধা সত্ত্বেও এই দেশগুলো এই পদক্ষেপ নিলো।
এক ভিডিওবার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বলেন, ‘শান্তি ও দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান পুনরুজ্জীবিত করতে আমি আজ অসাধারণ এ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করছি যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।’
অপরদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, ‘বর্তমান ইসরায়েলি সরকার সুসংগঠিতভাবে কাজ করছে যাতে কোনোদিনো একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে। তারা পশ্চিম তীরে ক্রমাগত বসতি সম্প্রসারণের নীতি অনুসরণ করেছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ। গাজায় তাদের ধারাবাহিক হামলা লক্ষাধিক বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে, দশ লক্ষাধিক মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এক ভয়াবহ ও প্রতিরোধযোগ্য দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছে।’
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং এক বিবৃতিতে বলেন, এই স্বীকৃতি ‘কানাডা ও যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য নতুন গতি সৃষ্টির লক্ষ্যে সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার একটি অংশ।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করছে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেছেন যে, এর জবাবে ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখল করে নিতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েলি সরকার, বন্দিদের পরিবার এবং কিছু কনজারভেটিভ নেতা। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এমন পদক্ষেপ ‘সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করবে’।
আরও পড়ুন: সেনা ব্যারাক ছেড়ে কোথায় গেলেন নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী
