, | |

মূলপাতা জাতীয়

বাংলাদেশে জামায়াতের উত্থানে শঙ্কিত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা


বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।
প্রকাশের সময় :১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৭:০৩ : অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে ভারতকে চিন্তিত হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। জামায়াত ইসলামী সম্পর্কে সতর্ক করে ভারতের রাজ্যসভার এই সদস্য বলেন, ‘এটি একটি চিতাবাঘ যা কখনও তার অবস্থান পরিবর্তন করে না।’

গগতকাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ‘আমরা কি বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত?’ শীর্ষক আলোচনায় এ মন্তব্য করেন তিনি। আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

জামায়াতের প্রসঙ্গ টেনে শ্রিংলা দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, “স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ‘সহায়ক বাহিনী’ হিসেবে এই সংগঠনের ভূমিকা ছিল, যখন হিন্দুদের বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ নৃশংসতার অভিযোগ আনা হয়েছিল।”

ভারতের সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এটি বলা ঠিক ক্ষমতায় যে আসবে আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করবো। কিন্তু যে ক্ষমতায় আসবে সে যদি আপনার স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাহলে এ নিয়ে আপনাকে চিন্তিত হতে হবে।’

প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে ভারত সম্মান করে উল্লেখ করে বর্তমানে রাজ্যসভার সদস্য শ্রিংলা বলেন, ‘ভারতের নীতি হলো প্রতিবেশীদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করা। কিন্তু যেসব দেশের সঙ্গে আমাদের সীমান্ত রয়েছে, সেসব দেশে শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ বলতে কিছু নেই।’

জামায়াতকে মিসরের পুরোনো রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের অংশ হিসেবে অভিহিত করে ভারতের সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জামায়াতের হাতে রক্ত রয়েছে এবং তারা মুসলিম ব্রাদারহুডের অংশ। একই মুসলিম ব্রাদারহুড বাংলাদেশ, মিসর, পাকিস্তান এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে রয়েছে। আর এই চিতাবাঘ (জামায়াত) তাদের অবস্থান কখনো পরিবর্তন করবে না।’

হর্ষবর্ধন শ্রিংলা দাবি করেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা-আইএসআইয়ের তৎপরতা বেড়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

সাবেক এই কূটনৈতিক সতর্ক করে বলেন, ‘ভারত বিদ্বেষী শক্তিদের যোগসাজশের একটি প্রকৃত বিপদ তৈরি করেছে, যার ফলে জামায়াতে ইসলামী আসন্ন নির্বাচনে বেশ ভালো ফল করার সম্ভাবনা রয়েছে।’

আরও পড়ুন: ডাকসুর ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে শিবিরের জয়জয়কার

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর