, | |

মূলপাতা জাতীয়

আওয়ামী লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া কে এই মেজর সাদেক?


মেজর সাদেকুল হক সাদেক। ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশের সময় :১ আগস্ট, ২০২৫ ৯:০৭ : অপরাহ্ণ

সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের বাছাইকৃত কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভিযোগ ওঠেছে মেজর সাদেকুল হক সাদেক নামে এক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ওই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার্স মেস-এ-তে প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, মেজর সাদেক সেনাবাহিনীর হেফাজতে আছেন। তার বিষয়ে তদন্ত চলছে। দোষ প্রমাণ হলে সেনাবাহিনীর প্রচলিত নিয়মে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বাছাইকৃত কর্মীদের রাজধানীর মিরপুর, ভাটারা, কাটাবন ও পূর্বাচল এলাকায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত ৮ জুলাই বসুন্ধরাসংলগ্ন কে বি কনভেনশন সেন্টারে আওয়ামী লীগ একটি গোপন বৈঠকের আয়োজন করে। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলে ৩০০-৪০০ জন লোক অংশ নেন। তারা সেখানে সরকারবিরোধী স্লোগান দেন। তাদের প্রশিক্ষণ দেন মেজর সাদেক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেজর সাদেক কক্সবাজারের রামু ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত আছেন।

সরকার উৎখাতের এ পরিকল্পনার বিষয়টি কলকাতায় বসে সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তাকে সহযোগিতা করেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশের সাবেক কর্মকর্তারা। এ ছাড়া সরকার উৎখাতের এই পরিকল্পনায় কৌশলগত সহযোগিতা করেন দিল্লিতে অবস্থান করা পলাতক অতিরিক্ত আইজিপি ও পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম এবং এসএসএফের সাবেক প্রধান পলাতক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিবুর রহমান।

আরও পড়ুন: সেই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত আদালত গঠন, মিলেছে অভিযোগের সত্যতা

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর