, | |

মূলপাতা জাতীয়

তাজউদ্দীনের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানালো পরিবার


যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শারমিন আহমেদ ও সোহেল তাজ।
প্রকাশের সময় :১৭ জুলাই, ২০২৫ ৭:৪৬ : অপরাহ্ণ

আগামী ২৩ জুলাই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তার পরিবার।

আজ বৃহস্পতিবার যমুনায় এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন তাজউদ্দীনের বড় মেয়ে শারমিন আহমেদ ও ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় শারমিন আহমদ তার লেখা বই ‘তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা’ প্রধান উপদেষ্টাকে উপহার দেন।

১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তাজউদ্দীন আহমদ।

ছাত্রজীবনেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে এদেশে ভাষার অধিকার, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী যত আন্দোলন হয়েছে তার প্রতিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের গঠন প্রক্রিয়ার উদ্যোক্তাদের অন্যতম একজন তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৬৬ সালে দলটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে বন্দি থাকাকালীন নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব অর্পিত হয় তাজউদ্দীন আহমদের ওপর।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে সফল ভূমিকা পালন করেন তিনি।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তাজউদ্দীন আহমদ। এরপর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি।

পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭৪ সালের ২৬ অক্টোবর তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তাজউদ্দীন আহমদকেও গৃহবন্দি করা হয়। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তিনি এবং আরও তিন জাতীয় নেতা জেলখানায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে সর্বশেষ পরিস্থিতি কী

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর