ইসরায়েলে গতকাল শনিবার মধ্যরাত থেকে আজ রোববার ভোর পর্যন্ত দুই দফা মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০০ জনের মতো। এ ছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ৩৫ জন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের তেলআবিব শহর থেকে ধারণ করা সরাসরি ভিডিওতে দেখা গেছে, তেলআবিবের আকাশে কয়েক ডজন মিসাইল এসে পৌঁছেছে। দখলদারদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব মিসাইল ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছে।
ইরানি হামলায় বাণিজ্যিক রাজধানী তেলআবিব এবং রামাত গানেও বেশ কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে সেখানকার হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
ইরানের এ হামলার আগে ইসরায়েলিদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সেনাবাহিনী। তবে এখন তারা এ নির্দেশনা তুলে দিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের ওই আরব শহরটিতে হতাহতের সংখ্যা বেশি কারণ সেখানে আশ্রয় নেওয়ার মতো খুব বেশি সুবিধা নেই।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাতে তেল আবিবে ইরান শতাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে চারজন নিহত ও অনেক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে গত শুক্রবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
এ ছাড়া আবাসিক স্থানেও হামলা চালায় তেল আবিব। হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ একাধিক কমান্ডারসহ ৮০ জন নিহত হয়েছে। যাদের মধ্যে ২০ জন শিশু রয়েছে।
এদিকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাতে নিজেদের সেনাদলে আহত হওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
গতকাল শনিবার দেশটির সেনাবাহিনীর দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মধ্য ইসরায়েলে গভীর রাতে এই হামলা হয়, যা ছিল তাদের ওপর ইরানের পাল্টা আক্রমণের অংশ।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলোর আঘাতে অন্তত ৭ সেনা আহত হন।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলের আয়রন ডোম চুরমার করে দিলো ইরান
