চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদসহ ৮টি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সঙ্গে আজ রোববার বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এদিন বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল শনিবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব রাজনৈতিক দলের একজন করে প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে একইদিন গণমাধ্যমে পাঠানো আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও এ বৈঠকের কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় যমুনায় ইসলামী আন্দোলনের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম তার দলের পক্ষ থেকে বৈঠকে অংশ নেবেন।
ইসলামী আন্দোলন ছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, গণ অধিকার পরিষদ, নেজামে ইসলামী পার্টি ও হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নেবেন।
বৈঠকে সংস্কার, নির্বাচন ও স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করণীয় নিয়ে পরামর্শ দেবেন রাজনৈতিক নেতারা।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় যমুনায় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছেন।
বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১০টায় সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। জামায়াত এবং এনসিপি এই বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছে। তিনটি রাজনৈতিক দলই চায় যেন প্রধান উপদেষ্টার অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। ডিসেম্বর থেকে জুনের ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হবে, এর বাইরে যাবে না।’
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক এই বৈঠকগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ আমলের সব নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণার দাবি এনসিপির
দুই বিষয়ে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ চেয়েছে জামায়াত
উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন ও নির্বাচনের রোডম্যাপ চাইলো বিএনপি
