বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে বিমসটেকের কার্যক্রম পরিচালনায় মুখ্য ভূমিকা পালন করবে বাংলাদেশ।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান এ কথা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেহেতু বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সদস্যভুক্ত সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে বলে জানান ড. খলিলুর রহমান।
ড. খলিলুর রহমান জানান, বিমসটেকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিমসটেকের সম্মেলনে প্রথমদিন ইয়ুথ কনফারেন্সে যোগ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা। পরদিন সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সম্মেলনে তিনটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হওয়ার কথা।
এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়ে যান বিমসটেক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মণি পাণ্ডে। তিনি ঢাকা সফরকালে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এই তথ্য জানান।
বিমসটেক সম্মেলনে অংশ নিতে আগামী ৩ ও ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে অবস্থান করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সফরে তার সঙ্গে থাকবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংককে যাবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রসঙ্গত, বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বহুখাতীয়, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ) বা সংক্ষেপে বিমসটেক। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কয়েকটি দেশকে নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক জোট।
১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংককে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠকে একটি নতুন আন্তঃআঞ্চলিক জোট সৃষ্টি করা হয় এবং সভায় অংশগ্রহণকারী মূল আলোচকদের দেশের নামের অদ্যাক্ষর অনুযায়ী এই জোটের নাম দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: কাল ব্যাংকক যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা, মোদির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা
