রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টা ৩৬ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সিলেট, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ বেশ কয়েকটি স্থানে এর কম্পন টের পাওয়া গেছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৬। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভারতের মনিপুর রাজ্যের ইয়াইরিপোকের পূর্ব দিকে ৪৪ কিলোমিটার দূরে। এর অবস্থান ছিল ২৪.৭৪৩° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৪.৪৮৪° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে আশঙ্কাজনক ব্যাপার, এ নিয়ে গত ১০ দিনে চারবার দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হলো।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবীর বলেন, এটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প ছিল। এর উৎপত্তিস্থল ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকা। ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ৪৪৯ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পপ্রবণ বাংলাদেশে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। গত তিন মাসে বাংলাদেশের আশপাশে মৃদু ও তীব্র মাত্রার অর্ধশতাধিক ভূমিকম্প হয়েছে। গত ১৫ বছরে ছোট-বড় ভূমিকম্প হয়েছে দেড় শতাধিক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শত বছর ধরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার টেকটোনিক প্লেটে বড় ভূমিকম্প না হওয়ায় সেখানে বিপুল শক্তি সঞ্চিত হয়েছে। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে ৮ থেকে ৯ মাত্রার বিধ্বংসী ভূমিকম্প হতে পারে, যা ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনবে। প্রাণহানি লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক সি আর আবরার
এবার বগুড়া পুলিশ লাইনে গোপন বন্দিশালার সন্ধান
৩ দফা কমার পর আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
