শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১ | ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ | ২১ রবিউস সানি, ১৪৪৩

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

বাইডেনের গণতন্ত্র সম্মেলনে দাওয়াত পায়নি বাংলাদেশ


রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক প্রকাশের সময় :২৪ নভেম্বর, ২০২১ ১১:১২ : পূর্বাহ্ণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর ভার্চুয়ালি এক গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছেন। এ সম্মেলনে ১১০টির বেশি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপ আমন্ত্রণ পেলেও নামগন্ধ নেই বাংলাদেশের।

দক্ষিণ এশিয়ায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাইডেনের আমন্ত্রণ পায়নি তালেবানশাসিত আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও বাংলাদেশসহ চার দেশ।

এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে দেয়া তালিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের ডাকা গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশের আমন্ত্রণ না পাওয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ সম্মেলনে আমন্ত্রণ না পাওয়া বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের কোনো বিষয় নয়। ওরা কয়েক দিন পরপর এমন কিছু একটা করে; যাদের ইচ্ছা দাওয়াত দেয়, যাদের ইচ্ছা দেয় না।’

তালিকা অনুযায়ী, সম্মেলনে আমন্ত্রণ পায়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন। তবে চীনশাসিত দ্বীপ অঞ্চল তাইওয়ান সম্মেলনে ডাক পেয়েছে।

আমন্ত্রণ না পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে আরও আছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মিত্র তুরস্ক। আছে রাশিয়াও।

সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে শুধু ইসরায়েল ও ইরাক।

আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরব, মিসর, জর্ডান, কাতার আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের নামও আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর আগে এ সম্মেলনে আমন্ত্রিতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল পলিটিকো ম্যাগাজিন। সেখানেও বাংলাদেশের নাম ছিল না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বাইডেন পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে তার প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজনের অঙ্গীকার করেন।

রাশিয়া ও চীনসহ গোটা বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিস্তার ঘটার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ সম্মেলনের আয়োজন করছেন।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে আমন্ত্রিত দেশগুলোর নেতারা গণতন্ত্র, ব্যক্তিগত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করবেন।

এক বছর পর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি যাচাই করতে আরেকটি ফলোআপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মহামারি পরিস্থিতির উন্নতি হলে দেশগুলোর নেতাদের সশরীরে আমন্ত্রণ জানানো হবে।


Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

আরও খবর