রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২ | ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ | ২ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪

মূলপাতা আইন-আদালত

আসলাম চৌধুরীকে আরেক মামলায় শ্যােন অ্যারেস্ট


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় :৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৫ : অপরাহ্ণ

৭৮ মামলায় জামিন পাওয়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীকে আরও একটি মামলায় শ্যােন অ্যারেস্ট (একটি মামলায় গ্রেফতার থাকা অবস্থায় আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার) দেখানো হয়েছে। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সিএমএম-৩৬ নম্বর আদালতে তাকে ঢাকা কোতোয়ালী থানার একটি সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়।

এর আগে আসলাম চৌধুরীকে ঢাকা শাহবাগ থানার একটি মামলায় শ্যােন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছিল। ওই মামলায় তিনি গত সপ্তাহে জামিন পান। বুধবার ঢাকা সিএমএম-২১ নম্বর আদালতে তিনি ওই মামলায় হাজিরা দিতে গেলে তাকে অন্য আরেকটি মামলায় শ্যােন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

এর আগে অর্থ আত্মসাৎ, চেক প্রতারণা এবং বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মোট ৭৮টি মামলায় জামিন পেয়ে মুক্তির প্রহর গুনছিলেন আলোচিত-সমালোচিত বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী। তিনি এখন কেরানিগঞ্জ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২০১৬ সালের ১৫ই মে ঢাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন আসলাম চৌধুরী। গত চার বছর ধরে তিনি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

গত তিন বছর ধরে তিনি চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি ছিলেন। মাস খানেক আগে তাকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে কেরানিগঞ্জ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

২০১৩ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চট্টগ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধারাবাহিক সহিংসতার নেপথ্যে আসলাম চৌধুরী নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে। এসব সহিংসতার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নাশকতার ১৭ টি মামলা হয়।

আসলাম চৌধুরী ২০০২ সালে জিয়া পরিষদের মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। তিনি তখন জিয়া পরিষদ, চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে ২০০৭ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। জেলা বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে না হতে দুই বছরের মাথায় জেলার সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন তিনি। পাশাপাশি জায়গা করে নেন কেন্দ্রেও,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে। পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালের ২৬ এপ্রিল জেলা বিএনপির সভাপতির সিংহাসনে বসেন তিনি। চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি থেকে ২০১৬ সালে তিনি একলাফে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের পদে আসীন হন।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের আগে এ বিএনপি নেতা বিসিএস ক্যাডার ছেড়ে এফসিএ কোর্স করে একটি সিমেন্ট কোম্পানির পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন।


আরও খবর