শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪ | ৭ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৪ জিলহজ, ১৪৪৫

বিশ্বের শীর্ষ এই ধনী পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ জানলে চোখ কপালে উঠবে!


প্রকাশের সময় :১৯ জানুয়ারি, ২০২৪ ৬:০১ : অপরাহ্ণ
রূপকথাকেও যেন হার মানাবে দুবাইয়ের আল নাহইয়ান পরিবারের জীবনযাপন।
Rajnitisangbad Facebook Page

রূপকথাকেও যেন হার মানাবে দুবাইয়ের আল নাহইয়ান পরিবারের জীবনযাপন। বিশ্বের শীর্ষ এই ধনী পরিবারের প্রাসাদের মূল্য ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। রয়েছে ৭০০টিরও বেশি গাড়ি। এছাড়া পরিবারটির রয়েছে আটটি ব্যক্তিগত জেট বিমান ও একটি ফুটবল ক্লাবের মালিকানা।

রাজকীয় এই পরিবারের প্রধান হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তিনি মোহাম্মদ বিন জায়েদ নামেও পরিচিত। আল নাহিয়ানরা ১৮ ভাই ও ১১ বোন। এছাড়া তার ৯ সন্তান ও ১৮ নাতি-নাতনি রয়েছে। পরিবারটির রয়েছে অঢেল সম্পদ।

এই রাজপরিবার সারাবিশ্বের খনিজ তেলের ভাণ্ডারের প্রায় ছয় শতাংশের মালিক। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব, গায়িকা রিহানার বিউটি ব্র্যান্ড ফেন্টি থেকে ইলন মাস্কের স্পেস এক্সসহ বেশ কয়েকটি বিখ্যাত কোম্পানিতে অংশীদারিত্ব রয়েছে।

প্রেসিডেন্টের ছোট ভাই শেখ হামাদ বিন হামদান আল নাহিয়ানের কাছে ৭০০টিরও বেশি গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এসইউভিসহ পাঁচটি বুগাতি ভেরন, একটি ল্যাম্বরগিনি রেভেনটন, একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ সিএলকে জিটিআর, একটি ফেরারি ৫৯৯এক্সএক্স ও একটি ম্যাকলারেন এমসি১২।

আবুধাবির সোনালী কাসর আল-ওয়াতান প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বসবাস করে রাজপরিবার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কয়েকটি প্রাসাদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়। প্রায় ৯৪ একরজুড়ে বিস্তৃত ও বৃহৎ গম্বুজবিশিষ্ট প্রাসাদে ৩ লাখ ৩৫ হাজার স্ফটিকের তৈরি ঝাড়বাতি রয়েছে।

প্রেসিডেন্টের ভাই তাহনউন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান পরিবারের প্রধান বিনিয়োগ কোম্পানির মূল্য গত পাঁচ বছরে প্রায় ২৮ হাজার শতাংশ বেড়েছে। কোম্পানিটি বর্তমানে ২৩৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কৃষি, জ্বালানি, বিনোদন ও সামুদ্রিক ব্যবসা পরিচালনা করছে।

২০০৮ সালে রাজপরিবারের মালিকানাধীন কোম্পানি আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকায় ব্রিটেনর জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি কিনে নেন। ম্যানচেস্টার ফুটবল দলকে পরিচালনা করে থাকে সিটি ফুটবল গ্রুপ। ওই কোম্পানিতে দুবাই রাজপরিবারের শেয়ার প্রায় ৮১ শতাংশ।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ছাড়াও প্যারিস ও লন্ডনে তাদের নামে আছে বিলাসবহুল সম্পত্তি। এই পরিবারেরই এক পূর্বপুরুষের নামে ইংল্যান্ডের অভিজাততম এলাকায় বিস্তৃত জমি ছিল বলে তাকে বলা হত ‘লন্ডনের জমিদার’ বা ‘ল্যান্ডলর্ড অব লন্ডন’।

২০১৫ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, দুবাই রাজপরিবারের যে সম্পদ রয়েছে তা ব্রিটিশ রাজপরিবারের সম্পদের সমান।

মন্তব্য করুন
Rajnitisangbad Youtube


আরও খবর