শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩১ | ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫

মূলপাতা আইন-আদালত

এস আলম গ্রুপের অর্থপাচারের অনুসন্ধান না করতে সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় :৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১:৫৭ : অপরাহ্ণ
Rajnitisangbad Facebook Page

এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলমের বিদেশে এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার পাচারের অনুসন্ধান নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা স্বতপ্রণোদিত রুল খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর ফলে এস আলমের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের কোনো ধরনের অনুসন্ধান চলবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী আহসানুল করিম। তবে চাইলে দুদক, বিএফআইইউসহ সংশ্লিষ্টরা নিজ উদ্যোগে অনুসন্ধান করতে পারবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পাওয়ার পর দুদককে অনুসন্ধান করার জন্য পরামর্শ দেবো।

এ সময় আদালতে এস আলমের পক্ষে ছিলেন জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ও ব্যারিস্টার আহসানুল করিম। দুদকের পক্ষে জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী খুরশিদ আলম খান এবং আবেদনকারী সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ৪ আগস্ট ডেইলি স্টারে এস আলমের অর্থপাচার নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম সিঙ্গাপুরে কমপক্ষে এক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। যদিও বিদেশে বিনিয়োগ বা অর্থ স্থানান্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো অনুমতি তিনি নেননি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের বাইরে বিনিয়োগের জন্য এ পর্যন্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিলেও চট্টগ্রামভিত্তিক বিশাল এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নাম সেই তালিকায় নেই।

কাগজপত্রে আরও দেখা যায়, গত এক দশকে সিঙ্গাপুরে এস আলম অন্তত দুটি হোটেল, দুটি বাড়ি, একটি বাণিজ্যিক স্পেস ও অন্যান্য যে সম্পদ কিনেছেন সেখানেও বিভিন্ন উপায়ে কাগজপত্র থেকে তার নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

প্রতিবেদনের বিষয়টি ৬ আগস্ট আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এ প্রতিবেদন দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। পরে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অর্থপাচার ঠেকাতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), দুর্নীতি দমন কমিশন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

মন্তব্য করুন
Rajnitisangbad Youtube


আরও খবর