রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪ | ৮ বৈশাখ, ১৪৩১ | ১১ শাওয়াল, ১৪৪৫

মূলপাতা অন্যান্য দল

‘শান্তি সমাবেশ যেন একাত্তরের সেই শান্তি কমিটির আতঙ্ক’


রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক প্রকাশের সময় :১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ৭:১৯ : অপরাহ্ণ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
Rajnitisangbad Facebook Page

আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ প্রসঙ্গে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘শান্তি সমাবেশের কথা শুনলেই ৭১ সালের দুঃশাসনের চিত্র ভেসে ওঠে এবং জনগণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে।’

আজ রোববার জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালে দেশের জনগণ যখন জীবনপণ মুক্তির লড়াইয়ে নিয়োজিত তখন গণহত্যায় উন্মত্ত পাকিস্তানি দখলদার শাসকরা সারাদেশে ‘শান্তি কমিটি’ গঠন করে স্বাধীনতাকামী জনগণের গণ ইচ্ছার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। এরাই পরবর্তীতে হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণে জড়িত হয়ে পড়ে এবং রাজাকার-আলবদর হিসেবে চিহ্নিত হয় যা আজও সমাজে ক্ষত হিসেবে বিদ্যমান।

জনগণের আন্দোলনকে স্তব্ধ করার জন্য বল প্রয়োগ করে হত্যা, সংঘর্ষ ও গ্রেপ্তারের নামে শাসকদের ‘শান্তি সমাবেশ’ সম্পর্কে এ দেশের জনগণ পরিচিত। নিপীড়ন-নির্যাতনের ভয়ঙ্কর বাস্তবতায় সরকারের বয়ানে শান্তি সমাবেশের কথা শুনলেই ৭১ সালের দুঃশাসনের চিত্র ভেসে ওঠে এবং জনগণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ ১০ দফা দাবিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিতে বাধা, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সারা দেশে এই কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। একই দিন ইউনিয়ন পর্যায়ে শান্তি সমাবেশের নামে আওয়ামী লীগ উসকানিমূলক পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত সূত্রপাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে।

বিএনপির দাবি মতে, কমপক্ষে ৫০টির বেশি স্থানে আওয়ামী লীগ তাদের কর্মসূচিতে হামলা করে তিন শ নেতাকর্মীকে আহত করেছে এবং ২০০ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এগুলো ‘শান্তি সমাবেশ’-এর নামে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে ভয়ঙ্কর রক্তপাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা।

সুতরাং গণআকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান করে, ক্ষমতা রক্ষার অগণতান্ত্রিক পথে আওয়ামী লীগের মতো ঐতিহ্যবাহী দল ‘৭১- এর পরাজিত পাকিস্তানি দখলদারদের ‘শান্তি কমিটি’র কলঙ্কে চিহ্নিত হবে, এটা কেউ প্রত্যাশা করে না।

বিএনপির ঘোষিত কর্মসূচির দিন তথাকথিত ‘শান্তি সমাবেশের’ আবরণে পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে রাজনীতিকে সংঘাতপূর্ণ ও রক্তপাতমুখী করার অপচেষ্টা থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, শান্তি সমাবেশের নামে বল প্রয়োগের হাতিয়ার ব্যবহার করার অপরাজনীতি থেকে সরকারকে অবশ্যই সরে আসতে হবে।

মন্তব্য করুন
Rajnitisangbad Youtube


আরও খবর