সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২ | ২০ আষাঢ়, ১৪২৯ | ৪ জিলহজ, ১৪৪৩

মূলপাতা বিএনপি

বাংলাদেশকে নতজানু করে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় :২১ জানুয়ারি, ২০২১ ৭:১৫ : অপরাহ্ণ

বাংলাদেশকে নতজানু করে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, আজকে দেশ নিয়ে একটা ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশ তার যে স্বতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব তা ভুলে গিয়ে সে অন্য জায়গায় নতজানু হয়ে থাকুক-এভাবে পরিকল্পনা চলছে। যে পরিকল্পনাকে আমাদের রুখে দিতে হবে।

আজ (২১ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে দলের এক ওয়েবিনারে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, তারা (সরকার) আজকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। মানুষের যে পরিচিতি আছে সেখান থেকে দূরে ঠেলে দিতে চাইছে।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সেই পতাকাই ধারণ করেছেন যা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান তার হাতে তুলে দিয়েছিলেন। একইভাবে আমাদের নেতা তারেক রহমান তিনিও সেই পতাকা তুলে ধরছেন। এই পতাকাই মুক্তির পতাকা। শ্লোগান একটাই- আমরা আজকে শৃঙ্খলিত হতে চাই, মুক্ত হতে চাই। মানুষকে এই অবস্থা থেকে বাঁচাতে চাই। শহীদ জিয়াউর রহমানের যে আদর্শ তা অনুসরণ করে, মানুষকে বাঁচাতে চাই, দেশকে বাঁচাতে চাই। আসুন, সেই লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ- এই দুইটাকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। কারণ শহীদ জিয়াই বাংলাদেশের জনগণের জন্য নতুন একটা পরিচিত। স্বতন্ত্র একটা অস্তিত্ব তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে, তার রাজনীতির মধ্য দিয়ে সেটা প্রমাণ করেছেন। তিনি তার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন চিন্তার মধ্য দিয়ে জাতিকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ উপহার দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যারা আজকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ভুলিয়ে দিতে চান, তার সম্পর্কে বিকৃত কথা, ইতিহাস বিকৃত করে জনগণের সামনে তুলে ধরতে চান তাদের উদ্দেশে শুধু একটি কথা বলতে চাই- যার যে অবদান তা স্বীকার করুন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যেটা প্রাপ্য তা অবশ্যই দিতে হবে।

বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে গঠিত ‘সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম কমিটি’র উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধ্যান-ধারণা’ শীর্ষক এই ওয়েবিনার হয়। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ।

কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইসমাইল জবিহউল্লাহর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান প্রমুখ।


Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

আরও খবর