রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ | ১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ | ৯ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪

মূলপাতা বিএনপি

সিইসিকে মির্জা ফখরুল

আপনাদের ফলাফল তো আগেই তৈরি থাকে  


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় :১৪ নভেম্বর, ২০২০ ৩:১৭ : অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শেখার আছে- প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার এমন বক্তব্যকে ‘হাস্যকর ও লজ্জার কথা’ বলে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সিইসিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আগে আপনারা তো ফল প্রকাশ করতে পারবেন। কারণ আপনাদের ফলাফল আগে থেকেই তৈরি করা থাকে। তাই আপনারা সেটা ঘোষণা করে দেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের লাজলজ্জা পর্যন্ত নেই। তাদের লজ্জা-শরম যদি থাকতো তাহলে তারা অনেক আগে পদত্যাগ করে চলে যেত।

শনিবার (১৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সমা‌বে‌শে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনে এত সন্ত্রাস, এত কারচুপি, এত ভয়­ভীতি প্রদর্শন করার পরও ১৪ পার্সেন্টের বেশি ভোট নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারেনি। অথচ এই নির্বাচন কমিশনের কী অদ্ভূত কথা! চিফ ইলেকশন কমিশনার বলেছেন যে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আমেরিকান নির্বাচন কমিশনের চেয়েও উন্নত। তারা পাঁচ দিনেও ফলাফল ঘোষণা করতে পারে না, সেখানে আমরা পাঁচ মিনিটেই পারি।

নির্বাচন কমিশন একটা অযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ২৯ তারিখে হয়েছে এবং রাতের অন্ধকারে জনগণের সমস্ত অধিকার তারা লুট করে নিয়ে গেছে। পরবর্তীকালে যতগুলো নির্বাচন এই সরকারের অধীনে ও নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় হচ্ছে, প্রত্যেকটি নির্বাচনে তারা (নির্বাচন কমিশন) তাদের (সরকার) পক্ষে লুট করে নিয়ে যায়। এর ফলে এই নির্বাচন কমিশনের ওপর থেকে ধীরে ধীরে জনগণের আস্থা শূন্যের কোটায় চলে এসেছে।

রাজধানীতে বাস পোড়ানো প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত পরশুদিন আমরা দেখলাম রাজধানীতে ৯টি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে। আমরা এই নাশকতার নিন্দা করেছি। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বিএনপির কোনো সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে না। বিএনপির গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে বলেই এখনো প্রত্যেকটা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

সমাবেশে বিএনপি যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আকরামুল হাসান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন প্রমুখ।

 


আরও খবর