বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ | ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ | ১৩ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

জনসমক্ষে ট্রাম্পের নীরবতা !


প্রকাশের সময় :১৩ নভেম্বর, ২০২০ ১২:৩৪ : পূর্বাহ্ণ

রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক

নির্বাচনে পরাজিত হয়েও এখনো আলোচনার কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরাজয় মানতে নারাজ এই প্রেসিডেন্ট আদালতের দিকে তাকিয়ে আছেন। তবে রায় তার বিপক্ষে যাবারই বেশি সম্ভাবনা। বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান বাইডেনকে জয়ের জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছেন। কিন্তু এই বিজয় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর নির্বাচনী শিবির। এখনো জয়ের আশা ট্রাম্পের। এক টুইটে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা জিতব।’

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ৬ দিন পর ১১ নভেম্বর বুধবার জনসমক্ষে এলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেটারেন্স ডের অনুষ্ঠানে। কিন্তু নির্বাচনের ফল নিয়ে মুখ খুললেন না তিনি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। এক সেনা কর্মকর্তার সমাধিতে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েই ফিরে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তাঁকে শেষ প্রকাশ্যে দেখা গেছিল গত বৃহস্পতিবার, সাংবাদিক সম্মেলনে। বৃহস্পতিবারের পর ট্রাম্প আবার হোয়াইট হাউসের বাইরে পা রাখলেন বুধবার। ভেটারেন্স ডে-র অনুষ্ঠানে। মুখে মাস্ক নেই। কিঞ্চিৎ গম্ভীরও দেখা যায় তাঁকে। তারপর টানটান উত্তেজনার মধ্যে পেনসিলভানিয়াসহ কয়েকটি রাজ্যে ভোটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে জিতে বাইডেন এখন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট। কিন্তু ট্রাম্প এখনো সেই ফল মানতে চান না। তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

ভেটারেন্স ডে-র অনুষ্ঠানে ছিলেন বাইডেনও। তবে ওয়াশিংটনে নয়, ফিলাডেলফিয়ায়। কোরিয়ান ওয়ার মেমোরিয়ালে। মুখে কালো মাস্ক। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জিলও। বাইডেনও সেখানে কোনো মন্তব্য করেননি। প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট হওয়ার পর বাইডেন করোনা নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করেছেন। সবাইকে মাস্ক পরতে বলেছেন। কিন্তু ট্রাম্প মাস্ক না পরে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাইডেনের পরামর্শের তিনি তোয়াক্কা করেন না।

২০১৬ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের জয় নিশ্চিত করতে তার ঘনিষ্ঠজনরা রাশিয়ার সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন, এমন এক গুরুতর অভিযোগ আপাতত ধামাচাপা পড়ে আছে স্রেফ তিনি প্রেসিডেন্ট বলে। হোয়াইট হাউসের কর্তৃত্ব খোয়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ওই অভিযোগের ছাইচাপা আগুন পুরোদমে যে জ্বলে উঠবে না, তা নিশ্চিত করে বলার সুযোগ নেই।

এ ছাড়া যৌন হয়রানি, এমনকি ধর্ষণের অভিযোগও কম নেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। আরো আছে বিপুল কর ফাঁকিসহ নানা অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগ। সব অভিযোগ তার প্রেসিডেন্সির কাছে আপাতত মাথানত করতে বাধ্য হলেও পরবর্তীকালে পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে এমন ধারণা পর্যবেক্ষকদের। তবে মানসিক ও আচরণগত দিক থেকে ভিন্ন ধরনের হওয়ায় শেষপর্যন্ত ট্রাম্প যে কী করবেন, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাাচ্ছে না।

সূত্র : ডয়চে ভেলে


আরও খবর