বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২ | ২২ আষাঢ়, ১৪২৯ | ৬ জিলহজ, ১৪৪৩

মূলপাতা বিএনপি

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন: ফখরুল


প্রকাশের সময় :১০ নভেম্বর, ২০২০ ৪:৫৫ : অপরাহ্ণ

রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক:

সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।

ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার অবৈধ সরকার, তারা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে বেআইনিভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে ফেলেছে, গণতন্ত্রের সব সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে ফেলেছে। কিন্তু এটা শেষ নয়।

সমস্ত চাপের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশন অবিচল ছিলো এমন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সেখানকার নির্বাচন কমিশন অবিচল থেকে তারা জনগণের রায়কে সমুন্নত রেখেছে। দ্যাট ইজ ডেমোক্রেসি। এটাই গণতন্ত্র। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যদি না থাকে তাহলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে পারে না।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যদি না থাকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। প্রতিষ্ঠানকে নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, শক্তিশালী হতে হবে, বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, শক্তিশালী হতে হবে, প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। আজকে এই আওয়ামী লীগ, যারা বার বার ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে পরিকল্পিভাবে, আত্মম্ভরিতা করে, অহংকার করে, এমন এমন কথা বলে, যার এখন নাম বলতে চাই না, তাদেরকেও ছাড়িয়ে যায়।

সরকারের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, আপনারা তো অন্ধকারে আছেন। দেখতে পারছেন না আপনার চারদিকে কি অবস্থা, মানুষের মধ্যে কি চলছে, তাদের চোখের ভাষা আপনারা পড়তে পারছেন না, দেওয়ালের লিখন আপনারা দেখতে পারছেন না। আপনারা সেই অন্ধকার গহ্বরের মধ্যে বাস করছেন। সেই সাথে দেশকে টেনে নিয়ে গেছেন ওদিকে, জাতিকে টেনে নিয়ে গেছেন ওদিকে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করা আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই বংশবদ নির্বাচন কমিশনের যে প্রতিষ্ঠান নেই, সেই প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে।

প্রশাসনকে শতভাগ দলীয়করণ করা হয়েছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, এখন ডিএনএ টেস্ট না করে কারও চাকরি হয় না।
ইন্টারভিউতে পাস করলো তারপরও তার ইন্টারোগেশন হয়, ডিএনএ টেস্ট হয়; বিএনপির কোনো গন্ধ থাকলে তার আর চাকরি হবে না। আমার এলাকার এক ভালো ছাত্র মাস্টার্স পাস করেছে, বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছে। ইন্টারভিউতে ভালো করেছে, তারপর যখন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে গেছে সেখানে দেখা গেল তার চাচা বিএনপি করেন, সেজন্য তার চাকরি হয়নি। এটাই বাস্তবতা।

 


Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

আরও খবর